অবশেষে দাড়িয়ে গেলো বার ভবন, স্বপ্ন হলো সত্যি

0
10

শীতলক্ষা রিপোর্ট : সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দাড়িয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জ আদালতের ১২০০ আইনজীবীর স্বপ্নের ডিজিটাল বার ভবন। ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে সোমবার ২৯ অক্টোবর। বহু বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে বারের সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক এড. মোহসীন মিয়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই বার ভবন আজ দৃশ্যমান। একদিন হয়তো জুয়েল মোহসিন থাকবেন না, কিন্তু এই বার ভবন যতদিন থাকবে ততদিন স্বর্ণাক্ষরে রিখিত থাকবে তাদের অবদান।
নারায়ণগঞ্জ বারের উন্নয়নের বানী শুনিয়ে প্রতিবারেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতেন আইনজীবী নেতারা। কিন্তু কাঙ্খিত উন্নয়নের সুফল পাচ্ছিলেন না সাধারণ আইনজীবীরা। বিশেষ করে একটি আধুনিক বার ভবন নির্মাণ ও দুই কোর্ট একত্রে রাখার বিষয়ে সকলেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন কিন্তু কেউ বাস্তবায়ন করেননি। কিন্তু গত ২০১৭-১৮ মৌসুমের বার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থীত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও এড. মোহসীন মিয়া নতুন কোন প্রতিশ্রুতি দেননি আইনজীবীদের বরং পুরানোদের দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। একটি ডিজিটাল বার ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা করে ভেঙ্গে ফেলেন পুরানো জরাজীর্ণ বার ভবনটি। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীদের প্রাণের দাবী দুই কোর্ট একত্রে রাখার বিষয়েও অনেকদুর অগ্রগতি অর্জণ করেন। ফলে গত নির্বাচনেও এ জুটির উপরই ভরসা রাখেন আইনজীবীরা এবং জুয়েল-মোহসীন প্যাণেল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জণ করে।
জানা যায়, গত বার নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থীত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি প্রার্থী এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল আর সাধারণ সম্পাদক এড. মোহসীন মিয়ার জন্য বার নির্বাচন অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং ছিলো কারন হচ্ছে আইনজীবীদের জন্য নির্মানাধীণ ডিজিটাল বার ভবন। পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে এবং নতুন ভবন নির্মাণের কাজ নির্বাচনের পরেই শুরু করা হবে। আর এ অসমাপ্ত কাজ সফলভাবে শেষ করতে হলে জয়ের কোন বিকল্প ছিলো না জুয়েল-মোহসীনের সামনে। বারের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছেন বর্তমান সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক এড. মোহসীন মিয়া। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ একেএম সেলিম ওসমান এই ভবন নির্মাণের জন্য তিন কোটি টাকা দেওয়ার অঙ্গিকার করেছেন। সেই সাথে দেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক কোটি এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এক কোটি টাকা দেবেন আইনজীবীদের এই ভবন নির্মাণের জন্য। ইতিমধ্যেই সাংসদ সেলিম ওসমানের প্রতিশ্রুত টাকার দুই কোটি টাকা পেয়েও গেছেন তারা। এবার শুরু করেছেন বারের উন্নয়ন কাজ। যার প্রথম ধাপ শেষ হলো সোমবার। এবার বাকী কাজ এগিয়ে নেবার পালা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here