ফতুল্লা থানা বিএনপি——– বহিস্কৃত সেন্টুই মূল ফ্যাক্টর!

0
11

শীতলক্ষা রিপোর্ট : কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে দল থেকে বহিস্কার করা হলেও এখনো তিনিই ফতুল্লায় এই দলের মূল ফ্যাক্টর। ফতুল্লার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই জানা গেছে। এটা এখন দিবালোকের মতোই পরিস্কার যে তিনি বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেছিলেন। সেটা যদি তিনি না করতেন তাহলে তিনি নির্বাচিত হতে পারতেন না। এছাড়া বর্তমান সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের সঙ্গেও তিনি বোঝাপরা করেই এবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আর এ কারনে শামীম ওসমান নিজেও তার নিজ দলে সমালোচিত হয়েছেন। তবে বিএনপিতে যারা সেন্টু সমর্থক তাদের প্রশ্ন হলো, যে আজাদ বিশ^াসকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি করা হলো তিনি কি করেছেন। তিনিতো এই সেদিনই শামীম ওসমানের সমাবেশে যোগ দিলেন। শুধু তাই নয়, তিনিও বিনা ভোটে পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ধরে রেখেছেন। শামীম ওসমান এবং সেলিম ওসমান চাইছেন বলেই তার পক্ষে এটা সম্ভব হচ্ছে। তাহলে সেন্টুর কি দোষ। এছাড়া জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক যাকে করা হয়েছে তাকে নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। শামীম ওসমানের সঙ্গে জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদকের সম্পর্কের বিষয়টি সবার জানা। তবে মনিরুল আলম সেন্টু জেলা বিএনপি থেকে পদত্যাগী নেতা শাহআলমের বিরাগভাজন হয়েছিলেন বলেই তাকে দল থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন। কিন্তু এসব করে শাহআলমের তেমন কোনো লাভ না হলেও ক্ষতি হয়েছে বিএনপির। তাই ফতুল্লার নেতা কর্মী সমর্থকরা মনে করেন এই মুহুর্তে ফতুল্লায় বিএনপির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মনিরুল আলম সেন্টু। তাই যতো তারাতারি সম্ভব সেন্টুকে দলে ফিরিয়ে নেয়াই হবে এই দলের জন্য সবেচেয় মঙ্গলজনক। অন্তত ফতুল্লার জন্য এটাই প্রযোয্য বলে মনে করেন এই দলের নেতাকর্মীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here